ব্যবসা বাড়ে নিজের হিসাব জানা আর নিয়মিত সে অনুযায়ী কাজ করা থেকে। বেশিরভাগ দোকানে এই ধারাটা ভালো কাজ করে।
প্রতিটি বিক্রিতে
- বাকিসহ সব বিক্রি PMS দিয়ে বিল করুন, যাতে একটা মাল বা একটা টাকাও হিসাবের বাইরে না থাকে।
প্রতিটি কেনা ও খরচে
- সাপ্লায়ার বা খাতসহ সেদিনই লিখুন: মাল কেনায় “নতুন মাল কিনি”, খরচে “খরচ লিখি”।
- তাহলে কেনা দাম, স্টক আর লাভ ঠিক থাকবে।
- নিজের টাকা ক্যাশে রাখলে বা তুললে ড্যাশবোর্ডে “ক্যাশ রাখলাম” বা “ক্যাশ তুললাম” দিন।
প্রতি সন্ধ্যায়
- ক্যাশ বাক্স গুনে ড্যাশবোর্ডে “ড্রয়ার গুনে মিলাই” দিয়ে মিলিয়ে নিন।
- আজকের গরমিল আজই বোঝা সহজ; পরের মাসে ধরা পড়লে আর সহজ থাকে না।
প্রতি সপ্তাহে
- বাকি খাতা দেখুন, পুরনো বাকির কাস্টমারদের তাগাদা পাঠান, আর দেরিতে শোধ করা কাস্টমারদের লিমিট ঠিক করুন।
- “স্টক কমে আসছে” আর মেয়াদের তালিকা দেখুন।
- সাপ্লায়ারকে অর্ডারের তালিকা পাঠান — কোন মাল কে দেয়, সেই অনুযায়ী ভাগ করা থাকে।
প্রতি মাসে
- হিসাব-নিকাশে লাভ-লোকসান দেখুন: বিক্রির ধারা, মার্জিন আর খরচ কোথায় গেল।
- আগের মাসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। খরচ পাতার নোটগুলো দেখিয়ে দেয় কোন খরচ বাড়ল বা বাদ পড়ল।
- “পণ্য ও স্টক” থেকে “গুনে মিলাই” দিয়ে স্টক গুনুন, যাতে মাল নষ্ট, চুরি বা ঘাটতি আগেভাগে ধরা পড়ে। নষ্ট বা হারানো মাল “স্টক ঠিক করি” দিয়ে লিখুন।
ব্যবসা বড় হলে
- শুধু দরকারি অনুমতি দিয়ে স্টাফ যোগ করুন।
- একাধিক কাউন্টার হলে শিফট চালু করুন।
- হিসাবরক্ষক, ব্যাংক বা বিনিয়োগকারীর জন্য হিসাব PDF বা Excel ফাইলে রাখুন।
আপনার দোকানে এখন কোন নিয়মে হিসাব রাখেন? নিচে লিখে জানান কোনটা আপনার কাজে দিচ্ছে।